ঠোঁট ফাটা দূর
ঠোঁট সাধারণত মুখের ত্বকের তুলনায় খুব
পাতলা হয়। ঠোঁটের ত্বকে ৩ থেকে ৫ টি সেলুলার স্তর থাকে। ঠোঁটের ত্বকে লোম এবং ঘর্ম
গ্রন্থি না থাকার কারণে ঠোঁট দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং সহজেই ফেটে যায়। তাই ঠোঁটের যত্ন
গুরুত্ব সহকারে করা উচিত। তবেই সুন্দর আকর্ষনীয় ঠোঁট পাওয়া সম্ভব।
ঠোঁটের ক্ষতির কারণ-
- শীতকালে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়।
- ঠান্ডা বা গরম ছাড়াও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির দ্বরাও ঠোঁটের ক্ষতি হয়।
- ঠোঁট কামড়ানো জিব দিয়ে বারবার ভেজানোর ফলেও ঠোঁটের ক্ষতি হয়।
- ঠোঁটের চামড়া টেনে তোলার ফলে ঠোঁটের ক্ষতি হয়।
- সস্তা মানের অতিরিক্ত প্রসাধন ব্যবহারের ফলে ঠোঁট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- দাঁত ব্রাশের সময় ভালো মানের পেস্ট ব্যবহার করা উচিত। তানাহলে পেস্ট ঠোঁটে লেগে ঠোঁটের ক্ষতি করে।
- লিপস্টিক বা লিপ বাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক না হলে, ঠোঁটের ক্ষতি হবে।
- ধূমপান করার ফলে ঠোঁট কালো হয় এবং ঠোঁটের ক্ষতি হয়।
- ঠোঁটে সাবান এবং ফেসওয়াশ লেগে ঠোঁটের ক্ষতি করে।
ঠোঁটের ফাটা দূর করার প্যাক-
উপকরন-
- আমন্ড অয়েল- ১ চা চামচ
- রোজ অয়েল- ৫/৬ ফোঁটা
- দুধের সর- ১/২ চা চামচ
ব্যবহার-প্রনালী- ঠোঁট খুব বেশি শুষ্ক
হলে আমন্ড অয়েল এবং রোজ অয়েলের সাথে কিছুটা দুধের সর মিশিয়ে নিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন।
এরফলে ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ এই মিশ্রণ ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে ঠোঁটকে নরম এবং
আর্দ্র রাখবে।
উপকরন-
- শিয়া বাটার
- নারকেল তেল
ব্যবহার-প্রনালী- শিয়া বাটার যেমনি ত্বকের
শুষ্কতা দূর করে, তেমনি ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে ঠোঁটকে নরম কোমল করতেও গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে। নারকেল তেলে শিয়া বাটার মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে লাগালে ঠোঁট ফাটা
সমস্যার সমাধান মিলবে।
উপকরন-
- নারকেল তেল
- চিনি
ব্যবহার-প্রনালী- কটন বলে কিছুটা চিনি
দিয়ে হালকা করে ঠোঁটে ঘষলে মরা চামড়া উঠে যাবে। এরপর ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ঠোঁটে নারকেল
তেল লাগালে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
উপকরন-
- মধু
- লেবুর রস
ব্যবহার-প্রনালী- সমপরিমান মধু এবং লেবুর
রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রণ ঠোঁটে লাগিয়ে প্রায় ঘন্টাখানেক পরে
ধীরে-ধীরে নরম ভেজা কাপড় দিয়ে ঘষলে, মরা চামড়া উঠে যাবে।
.png)
No comments:
Post a Comment