চুলের যত্নে ডিমের ব্যবহার
ডিম একটি গোলাকার বা ডিম্বাকার জিনিস। যা মেমব্রেনের স্তর দ্বারা
ঘিরে থাকা ডিম্বক এবং বহিরাবরণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। সাদা অংশ অ্যালবুমিন এবং কুসুম
মেমব্রেন দিয়ে তৈরি। পুষ্টিগত ভাবে ডিম প্রোটিন ও কোলিনের উৎকৃষ্ট উৎস।
ডিমের পুষ্টি উপাদান-
- শক্তি
- শর্করা
- স্নেহ পদার্থ
- প্রোটিন
- ভিটামিন – এ, ডি, ই
- থায়ামিন বি১
- রিবোফ্লাভিন বি২
- প্যানটোথেনিক
- অ্যাসিড
- ফোলেট
- বায়োটিন
- খনিজ
- ক্যালসিয়াম
- আয়রন
- ম্যাগনেসিয়াম
- ফসফরাস
- পটাসিয়াম
- জিংক
- পানি। এছাড়াও
- লিউটিন
- জেক্সানথিন
- ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন|
ডিমের
কার্যকারিতা
বা উপকারীতা-
- ডিম দ্রুত শক্তি পেতে সাহায্য করে।
- ডিমে থাকা ভিটামিন-এ যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে কার্যকরী।
- পেশি মজবুত করে ডিম। কারন এতে রয়েছে ভিটামিন ডি।
- ডিমে থাকা সালফার নখের যত্ন ও নখ ভেঙ্গে যাওয়া রোধ করে। এছাড়াও ডিম নখ সাদা ও সুন্দর রাখতে উপকারী।
- ডিমে রয়েছে জিংক যা দেহের ইমিউনিটি সিস্টেমকে শক্তিশালী করে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- ডিমে থাকা ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত করে।
- ডিমের ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
চুলের যত্নে ডিম-
- ডিমে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান যা চুলের যত্নে ভূমিকা রাখে। যেমন-
- ডিমের ভিটামিন ড্যামেজ চুলের জন্য কার্যকর।
- চুলের শুষ্কতা দূর করে চুলের ময়েশ্চারাইজার বজায় রাখে ডিম।
- ডিমের ফোলেট আর বায়োটিন চুল বৃদ্ধি করে।
- ডিমের আয়রন মাথার ত্বকে নতুন কোষের জন্ম দিয়ে চুলের সার্বিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
ডিম
নানা ভাবে চুলে ব্যবহার করা যায়।
উপকরন- ডিম, টকদই, অলিভ অয়েল
ব্যবহার- পদ্ধতি- ডিম, টকদই, অলিভ অয়েল এই তিন
উপকরন একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর পুরো চুলে লাগিয়ে ৩০/৪০ মিনিট
অপেক্ষা করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এরফলে অলিভ অয়েল মাথার ত্বককে নরম করবে। ডিম,
টকদই কন্ডিশনারের কাজ করবে।
উপকরন-ডিমের সাদা অংশ, লেবুর রস, অ্যালোভেরা।
ব্যবহার- পদ্ধতি- ডিমের সাদা অংশ, লেবুর রস,
অ্যালোভেরা একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর পুরো চুলে লাগিয়ে ২৫/৩০মিনিট
অপেক্ষা করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এই হেয়ার মাস্ক ব্যবহারের ফলে স্ক্যাল্পের অতিরিক্ত
তৈলক্ততা দূর হবে। অ্যালোভেরার কারনে চুল হবে নরম কোমল।
উপকরন- ডিম, মধু, অলিভ অয়েল।
ব্যবহার- পদ্ধতি- ডিম, মধু, অলিভ অয়েল এই তিন
উপকরন একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর পুরো মাথার ত্বক এবং চুলে
লাগিয়ে ৪০/৪৫মিনিট অপেক্ষা করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্যাক মাথার ত্বককে নরম
করবে। আর মধু চুলকে করবে ঝকঝকে এবং ময়েশ্চারাইজ।
উপকরন- ডিম, দুধ, মধু।
ব্যবহার- পদ্ধতি- চুলের প্রয়োজন অনুযায়ী ডিম, দুধ
আর মধু একসাথে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর পুরো মাথার ত্বক এবং চুলে
লাগিয়ে ৪০/৪৫মিনিট অপেক্ষা করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। দুধ আর ডিমে থাকা প্রোটিন চুল
মজবুত করে। চুলের পর্যাপ্ত পুষ্টি যোগাবে। আর মধু চুলকে প্রাকৃতিক ভাবে
ময়েশ্চারাইজ করবে।
.png)
No comments:
Post a Comment