দুধ দিয়ে সুন্দর হব
দুধ
হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীর স্তন্যগ্রন্থি থেকে উৎপন্ন অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একপ্রকার
সাদা তরল পদার্থ এবং দুধ মানুষের একটি প্রধান খাদ্য। এতে আমিষ ও ল্যাকটোজ সহ
অন্যান্য অনেক পুষ্টি উপাদান আছে।
দুধে থাকা পুষ্টি উপাদান-
- খাদ্যশক্তি
- আমিষ
- ফ্যাট
- কোলেস্টেরল
- পটাসিয়াম
- ক্যালসিয়াম
- ফসফরাস
- সোডিয়াম
- জিঙ্ক
- কপার
- সেলেনিয়াম
- থায়ামিন
- নিয়াসিন
- কার্বোহাইড্রেট
- পানি
- রিবোফ্লাভিন
- ভিটামিন এ, ই, ডি, কে
- ভিটামিন বি৬
- ভিটামিন বি১২
- ওমেগা-৩
- ক্যারোটিন বিটা
- প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড
- কোলিন
এছাড়াও ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের উৎসের কারনে দুধ আদর্শ
খাদ্য হিসেবে বিবেচিত।
খাদ্য হিসেবে দুধের উপকারিতা-
- দুধের ভিটামিন১২ মস্তিকের জন্য অত্যন্ত প্রয়োনীয়।
- দুধ রিবোফ্লাভিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস যা শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।
- দুধ দেহের টিস্যু এবং কোষ মেরামতের জন্য উপকারী।
- দুধের অপরিহার্য উপদান ল্যাক্টোজ দৈহিক গঠন, বিকাশ ও মেধা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- গবেষণায় দেখা গেছে দুধ ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়াও
- দুধে সামান্য কাঁচা হলুদ দিয়ে খেলে তা শরীরের সৌন্দর্য বিকাশে কার্যকরী।
ত্বকের যত্নে দুধের ব্যবহার-
উপকরন- দুধের সর, মধু
ব্যবহার-প্রনালী- দুধ রান্না বা জ্বাল দিয়ে কিছুক্ষন ঠান্ডা
করার পর এর উপরে যে সর পরে সেটা একটু দুধসহ হাতে নিয়ে মধু মিশিয়ে নরম ক্রিমের মতো করে
হাত মুখে মেখে নিতে হবে। খুব সহজ এই ব্যবহার পদ্ধতিতে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে। দুধের
সর ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধের সরের স্যাচুরেটেড ফ্যাট নানা
ভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
উপকরন- দুধের সর, বেসন, লেবুর রস, কাঁচা হলুদ, মধু।
ব্যবহার-প্রনালী-নরম দুধের সরের সাথে বেসন, কাঁচা হলুদ,
মধু আর সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রণ পুরো মুখ, গলা
এবং ঘাড়ে লাগিয়ে রেখে ২০/২৫ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে রোদে পোড়া ট্যান
দূর করে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া কমিয়ে ত্বক নরম ও কোমল করে। এছাড়াও ত্বকের নানা ক্ষতও
দূর করে ত্বককে করে উজ্জ্বল।
উপকরন- দুধের সর, ওটস।
ব্যবহার-প্রনালী-নরম দুধের সরের সাথে
ওটস মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে মুখে লাগিয়ে ২/৩ মিনিট রেখে ধীরে-ধীরে ঘষে মুখের ময়লা পরিষ্কার
করে নিতে হবে। এতে মুখ হবে উজ্জ্বল।
দুধের সর ছাড়াও সরাসরি কাঁচা দুধ মুখে ব্যবহার করা যাবে। কাঁচা দুধ ত্বকে টোনার
হিসেবে কাজ করবে। এটা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। ত্বকের শুষ্কতা এবং রোদে পোড়া বা সানবার্ন
সমস্যা দূর করবে। কাঁচা দুধ মুখে লাগিয়ে প্রায় ২০/২৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ
ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকের যত্নে দুধের কোন বিকল্প হয় না। দুধ যেমন শরীরের জন্য উপকারী
তেমনি ত্বকের জন্যও। তবে যত্ন হতে হবে প্রতিদিন।
.png)
No comments:
Post a Comment