দাগ দূর ঘরোয়া ভাবে
সাধারণত বিভিন্ন কারনে ত্বকে দাগ হতে পারে। যেমন-
- মেলানিন ত্বকের রং নিয়ন্ত্রণ করে। মেলানিন উৎপাদনে সমস্যা
হলে, ত্বকে দাগ প্রকাশ পায়।
- সূর্যের
আলট্রাভায়োলেট ‘’এ’’ এবং ‘’বি” রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বকে দাগ পড়ে।
- কিছু জীবণু বা ফাঙ্গাসসমূহ ত্বকের উপর সংক্রমণ করে দাগ
সৃষ্টি করতে পারে।
- ত্বকে কাটা বা আঘাতের ফলে দাগ হতে পারে।
- কিছু কিছু কেমিক্যাল উপাদান যেমন- সাবান, লোশন, মেকআপ পণ্যের
প্রতিক্রিয়ার ফলে ত্বকে দাগ সৃষ্টি করে।
ঘরোয়া কিছু উপকরন ব্যবহার ত্বকের দাগ দূর করা যেতে পারে।
লেবুর রস- লেবুর রসে অবস্থিত এসিড দাগ দূর করতে সাহায্য
করে। কটন বা তুলার বল লেবুর রসে ভিজিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখতে হবে। এরপর ১২/১৫ মিনিট অপেক্ষা
করে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে গোলাপজল লাগাতে হবে।
অ্যালোভেরা- অ্যালোভেরার জেল ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য
করে। রাতে পরিষ্কার ত্বকে অ্যালোভেরার জেল লাগিয়ে রাখতে হবে। এই জেল সারা রাত ত্বকে
লাগিয়ে রাখতে পারেন।
টমেটোর রস- কটন বা তুলার বল টমেটোর রসে ভিজিয়ে ত্বকে লাগাতে
পারেন। এই রস দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
হলুদ- ত্বকে কাঁচা হলুদ বাটা বা হলুদ গুঁড়ো লাগাতে পারেন।
যা দাগ তুলতে সাহায্য করে। হলুদ প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে।
আলু- আলুর পেস্ট বা রস দাগ দূর করতে ব্যবহার করা যায়। আলুর
রস বা পেস্ট ত্বকে লাগিয়ে ১৫/২০ অপেক্ষা করতে হবে। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
বরফ- ত্বকের সান বার্ন দূর করতে বাইরে থেকে এসে ত্বকে বরফ
লাগাতে পারেন। এতে ত্বক ঠান্ডা হবে এবং রোদে পোড়া ভাব দূর হবে।
ঠান্ডা বা কোমল বাতাস- ঠান্ডা কোমল বাতাস সান বার্ন দূর
করতে সাহায্য করে। এতে ত্বক শীতল এবং শান্ত করে।
এই উপকরন গুলো ব্যবহার করে ত্বকের দাগ দূর করা সম্ভব। তবে
সমস্যা যদি বেশী থাকে বা এই উপকরন গুলো ব্যবহারের ফলে কোন সমস্যা দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
No comments:
Post a Comment