চুল গজাতে পেয়ারা পাতা
পুষ্টিকর ফল পেঁয়ারা বিভিন্ন উপাদানে
ভরপুর। রোগ প্রতিরোধে পেঁয়ারার রয়েছে অনেক গুণ। এটা মানব শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধসহ
ত্বক ও চুলের যত্নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
পেঁয়ারা পাতার উপকারিতা-
- নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
- চুল পড়া কমায়
- চুলের গোড়া মজবুত করে।
- চুলের বৃদ্ধিতে কার্যকরী।
- পেঁয়ারাতে আছে লাইকোপেন, কোয়ারকেটিন, ভিটামিন সি এবং পলিফেনল যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের রুক্ষতা দূর করতে সাহায্য করে।
- পেঁয়ারার ভিটামিন সি ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়তা করে। চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করে।
- পেঁয়ারার এন্টিইনফ্লামেটরি গুণ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ক্ষমতা জীবানুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং ধ্বংস করে। ত্বক এবং চুলের ইনফেকশন দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
- পেঁয়ারাতে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদান যা চুলের জন্য ভীষণ উপকারী।
চুলের যত্নে পেঁয়ারা পাতার ব্যবহার-
উপকরন-
- পেঁয়ারা পাতা
- পেঁয়াজ
- নারকেল তেল
ব্যবহার-প্রনালী- পেঁয়ারা পাতা এবং পেঁয়াজ ব্লেন্ড করে রস বের করে নিতে হবে। এরসাথে নারকেল তেল মিশিয়ে চুলে এবং মাথার ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। প্রায় ৩০/৪০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার করে নিতে হবে।
উপকরন-
- পেঁয়ারা পাতা
- পানি
ব্যবহার-প্রনালী- ২০/২২ টি পেঁয়ারা পাতা বা চুলের
প্রয়োজন অনুযায়ী পাতা ভালো করে পানিতে প্রায় ২০ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর পানি চুলা
থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে স্প্রে বোতলে ভরে নিয়ে শ্যম্পু করা পরিষ্কার চুল এবং মাথার
ত্বকে স্প্রে করে ম্যাসাজ করে পরদিন সকালে চুল ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এতে চুল
পড়া বন্ধ হবে এবং পাশাপাশি চুল ভেঙে যাওয়ার সমস্যা দূর হবে।
এছাড়াও পেঁয়ারা পাতা ধুয়ে ব্লেন্ড করে চুলে মেখে প্রায়
৩০/৩৫ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলে উপকার পাওয়া যাবে।

No comments:
Post a Comment