দাদ দূর ঘরোয় উপাদানে
দাদ সাধারণত এক ধরনের সংক্রামক ব্যাধি। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির
দ্বারা খুব সহজেই অন্য জনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। মাথায় দাদ হলে, ঐ ব্যক্তির চিরুনী
দ্বারা এবং পায়ে দাদ হলে ঐ ব্যক্তির ব্যবহৃত মোজা দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে।
দাদ হলে অবহেলা করা উচিত নয়, কারণ এর থেকে গুরুতর সমস্যার
সৃষ্টি হতে পারে।
দাদের কারণ-
- সাধারণত যেসমস্ত কারণে দাদ হয়। সেগুলো হলো-
- দীর্ঘ সময় ধরে ঘামে শরীর ভেজা থাকলে।
- পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব, অর্থাৎ শরীর অপরিষ্কার এবং নোংরা রাখলে।
- ত্বকের ক্ষত স্থানে ছত্রাকের আক্রমণে দাদ হয়।
- সাধারণত চামড়ার উপরে গোলাকার ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
- ক্ষতস্থানে খুশকির মতো হয়।
- দাদ যদি মাথায় হয়, সেক্ষেত্রে ঐ স্থানের চুল পড়ে যায়।
- কোমর বা কুঁচকিতে দাদ হলে, সেখানকার চামড়া সাদা ও মোটা পুরু হয়ে যায়।
- নখে হলে নখ ধীরে-ধীরে পচে যায়। অর্থাৎ অস্বচ্ছ ও ভেঙ্গে যায়।
- দাদ চুলকালে সেখান থেকে আঠালো কষ পড়তে থাকে।
শরীরের সংক্রমিত স্থান বা অঙ্গ-
- কুঁচকি
- মাথা
- হাত এবং পা
- পায়ের পাতা
- নখ
ঘরোয় উপাদানে দাদ দূর-
- নারকেল তেল- অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান সমৃদ্ধ নারকেল তেল দাদের সংক্রমণ রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এর পাশাপাশি নারকেল তেল ত্বকের জ্বালা-পোড়া এবং চুলকানি কমাতেও সাহায্য করে।
- অ্যালোভেরা জেল- অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান যা ত্বকের ইনফেকশন দূর করে। নিয়মিত অ্যালোভেরার জেল ব্যবহারে ফলে দাদ দূর করা সম্ভব।
- হলুদ- নিয়মিত দাদের স্থানে হলুদ লাগালেও দাদ থেকে মুক্তি মিলবে। কারণ এতে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান।
- করোল্লার পাতা- দাদ থেকে মুক্তি পেতে করোল্লা পাতা ব্লেন্ড করে লাগানো যেতে পারে।
- রসুন- দাদ সহ যে কোন ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতে রসুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রসুন থেঁতলে দাদের উপরে লাগালে, দাদ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
দাদ
বা ফাংঙ্গাস ইনফেকশন হলো একটি সাধারণ ত্বক সমস্যা। এটি ত্বকে নিরাপদ অবস্থায়
প্রকাশ পায় না। তবে সঠিক যত্নের অভাবে এটি দাদ রুপে ত্বকে ইনফেকশন ছড়ায়। ঘরোয়া
উপাদান ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহন করতে হবে।
.png)
.png)
No comments:
Post a Comment