সোরিয়াসিস কি কারণ
সোরিয়াসিস একধরনের দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ
হলেও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ত্বকে সাধারণত লাল ছোট-ছোট
দানা ফুসকুরির মতো হয়। যেহেতু রোগটি সংক্রামক নয়, তাই সংস্পর্শের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়
না।
সোরিয়াসিসের কারণ-
সোরিয়াসিসের নির্দিষ্ট করে কারণ বলা বেশ
কঠিন। সোরিয়াসিসের কারণ হিসেবে বংশগত কারণের কথা বলা যেতে পারে। এছাড়াও আরো কিছু কারণের
উল্লেখ করা যেতে পারে, যার ফলে সোরিয়াসিস হতে পারে। যেমন-
- ত্বকে কোন ধরনের সংক্রমণ থেকে সোরিয়াসিস হতে পারে।
- বিভিন্ন ভাবে ত্বকে আঘাত জনিত কারণে সোরিয়াসিস হতে পারে।
- আবহাওয়া জনিত কারণে হতে পারে। যেমন- শীতকালে বেশি হয়।
- কখনও কখনও ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও সোরিয়াসিস হয়।
সোরিয়াসিসের লক্ষণ-
- ত্বক সাধারণত মোটা বা পুরু হয়ে যায়।
- ত্বকে অস্বস্তি ধরনের চুলকানি অনুভূত হয়।
- আক্রান্ত স্থানে লালচে দাগ পড়ে।
- রুপালি সাদা মাছের আঁশের মতো দেখা যায়।
- আক্রান্ত স্থানে লালচে ক্ষত দেখা যায়।
সোরিয়াসিসের চিকিৎসা-
সোরিয়াসিস রোগটি পুরোপুরি ভালো হয় না।
তবে নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সময়ের সাথে-সাথে রোগটি পুরোনো
হয় এবং জটিলতাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব রোগটি শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু
করে দিতে হবে। সোরিয়াসিসের রোগীকে আজীবনই চিকিৎসা সেবা গ্রহন করতে হবে। যেমন-
- বিভিন্ন ধরনের ঔষুধ, ক্রিম, লোশান, জেল ইত্যাদি ব্যবহার করা।
- মুখে খাবার ঔষুধ দেওয়া হয়।
- রোগের মাত্রা বেশি হলে আলট্রাভায়োলেট থেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
- সোরিয়াসিস রোগে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত ডাক্তারের চেকআপে থাকতে হবে।
- ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ঔষুধের মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।
.png)
No comments:
Post a Comment